মিম্বার
  • মূল পাতা
  • বিষয়শ্রেণী
    • বেসিক ইসলাম
      • আক্বিদা
      • নামাজ
      • রোজা
      • হজ্জ
      • যাকাত
      • পর্দা
      • জিহাদ
      • আখিরাত
      • সুন্নাত
    • বেসিক ইলম
      • উলুমুল কোরআন
      • উলুমুল হাদিস
      • সিরাতে রাসুল
      • ইসলামি শরীয়াহ
      • ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা
      • তাযকিয়াতুন নাফস
      • ইসলাম ও অর্থনীতি
      • ইসলাম ও রাজনীতি
      • ইসলাম ও সমাজনীতি
    • জীবনী
      • নবীদের জীবনী
      • সাহাবায়ে কেরামের জীবনী
      • ইসলামি মনীষীদের জীবনী
      • কবি-সাহিত্যিকদের জীবনী
    • সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রতিকার
      • যুব সমস্যা
      • প্যারেন্টিং
      • সময় ব্যবস্থাপনা
      • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
      • ধর্ষণ
      • সুদ
      • সংশয় নিরসন
      • মাদকাসক্তি
      • পর্নোগ্রাফি
      • সমসাময়িক
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
      • বাংলার ইতিহাস
      • উপমহাদেশের ইতিহাস
      • ইসলামের ইতিহাস
      • বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস
    • ইসলাম ও মতবাদ
      • গণতন্ত্র
      • সমাজতন্ত্র
      • রাজতন্ত্র
      • পুঁজিবাদ
      • উদারতাবাদ
      • নারীবাদ
      • মুসলিম দর্শন
      • অন্যান্য মতবাদ
    • সাহিত্য-সাময়িকী
      • গল্প
      • কবিতা
      • প্রবন্ধ
      • রম্যগল্প
      • সাহিত্য সমালোচনা
      • বুক রিভিউ
      • ফিচার
    • বিজ্ঞান
      • ডক্টর’স চেম্বার
      • মুসলিম বিজ্ঞান
      • করোনা
      • সায়েন্স ফিকশন
    • সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
      • ঈদুল ফিতর
      • ঈদুল আজহা
      • হিজরি নববর্ষ
      • কারবালা
      • মহররম
      • হামদ
      • নাতে রাসুল
      • ইসলামী গান
    • অন্যান্য
      • বাংলাদেশ
      • শিশুতোষ
      • মাসয়ালা-মাসায়েল
      • প্রত্যাবর্তন
      • উম্মাহর সংকট ও সমাধান
      • ভ্রমণকাহিনী
  • নোটিশ
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
No Result
View All Result
  • মূল পাতা
  • বিষয়শ্রেণী
    • বেসিক ইসলাম
      • আক্বিদা
      • নামাজ
      • রোজা
      • হজ্জ
      • যাকাত
      • পর্দা
      • জিহাদ
      • আখিরাত
      • সুন্নাত
    • বেসিক ইলম
      • উলুমুল কোরআন
      • উলুমুল হাদিস
      • সিরাতে রাসুল
      • ইসলামি শরীয়াহ
      • ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা
      • তাযকিয়াতুন নাফস
      • ইসলাম ও অর্থনীতি
      • ইসলাম ও রাজনীতি
      • ইসলাম ও সমাজনীতি
    • জীবনী
      • নবীদের জীবনী
      • সাহাবায়ে কেরামের জীবনী
      • ইসলামি মনীষীদের জীবনী
      • কবি-সাহিত্যিকদের জীবনী
    • সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রতিকার
      • যুব সমস্যা
      • প্যারেন্টিং
      • সময় ব্যবস্থাপনা
      • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
      • ধর্ষণ
      • সুদ
      • সংশয় নিরসন
      • মাদকাসক্তি
      • পর্নোগ্রাফি
      • সমসাময়িক
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
      • বাংলার ইতিহাস
      • উপমহাদেশের ইতিহাস
      • ইসলামের ইতিহাস
      • বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস
    • ইসলাম ও মতবাদ
      • গণতন্ত্র
      • সমাজতন্ত্র
      • রাজতন্ত্র
      • পুঁজিবাদ
      • উদারতাবাদ
      • নারীবাদ
      • মুসলিম দর্শন
      • অন্যান্য মতবাদ
    • সাহিত্য-সাময়িকী
      • গল্প
      • কবিতা
      • প্রবন্ধ
      • রম্যগল্প
      • সাহিত্য সমালোচনা
      • বুক রিভিউ
      • ফিচার
    • বিজ্ঞান
      • ডক্টর’স চেম্বার
      • মুসলিম বিজ্ঞান
      • করোনা
      • সায়েন্স ফিকশন
    • সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
      • ঈদুল ফিতর
      • ঈদুল আজহা
      • হিজরি নববর্ষ
      • কারবালা
      • মহররম
      • হামদ
      • নাতে রাসুল
      • ইসলামী গান
    • অন্যান্য
      • বাংলাদেশ
      • শিশুতোষ
      • মাসয়ালা-মাসায়েল
      • প্রত্যাবর্তন
      • উম্মাহর সংকট ও সমাধান
      • ভ্রমণকাহিনী
  • নোটিশ
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ
No Result
View All Result
মিম্বার
মূলপাতা অন্যান্য

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৯

শ্রুতিলেখক: আবরার জাহিন চৌধুরী

টপিক: অন্যান্য, উম্মাহর সংকট ও সমাধান
Share on FacebookShare on TwitterShare on WhatsAppShare on TelegramSend Email

অর্থনীতি ও উন্নয়নের ভিত্তি

চীনের কোনো শহর থেকে রওনা হওয়া এক কাফেলা পণ্য নিয়ে পশ্চিমের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে। তার পথ থেমে নেই এক দেশের সীমানায়; মরক্কো থেকে চীন—বাণিজ্যের সেই দীর্ঘ পথ একসময় নানা জনপদ, বাজার ও সভ্যতাকে একে অন্যের সঙ্গে যুক্ত করেছিল। পণ্য চলেছে, অর্থ চলেছে, মানুষ চলেছে—আর তাদের সঙ্গে চলেছে ধারণা, সংস্কৃতি ও বিশ্বাস।

ইসলামি সভ্যতার অর্থনৈতিক ইতিহাসের দিকে তাকালে এই চলাচলের বিষয়টি বারবার সামনে আসে। সম্পদ এখানে কেবল জমিয়ে রাখার বস্তু ছিল না; উৎপাদন, বাণিজ্য, দান, উত্তরাধিকার, ওয়াকফ এবং জনকল্যাণের নানা ব্যবস্থার মধ্য দিয়ে তা সমাজে প্রবাহিত হওয়ার কথা ছিল।

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের আলোচনায় ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার অর্থনৈতিক ভিত্তি ঠিক এই জায়গা থেকেই শুরু হয়। তাঁর কাছে সমৃদ্ধি কোনো অপরাধবোধের বিষয় নয়; বরং হালাল উপায়ে সম্পদ সৃষ্টি, মানুষের কর্মসংস্থান, বাজারে ন্যায়, অবকাঠামোর বিস্তার এবং সামাজিক নিরাপত্তা সব মিলিয়ে একটি শক্তিশালী সমাজ নির্মাণের উপাদান।

অর্থাৎ প্রশ্নটা শুধু কত সম্পদ তৈরি হলো?

বরং প্রশ্ন হলো সেই সম্পদ দিয়ে কেমন সমাজ তৈরি হলো?

দারিদ্র্য থেকে মুক্তি, সমৃদ্ধির পথে যাত্রা

ইসলামের অর্থনৈতিক দর্শন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে আল-সুওয়াইদান প্রথমেই একটি প্রচলিত ধারণাকে প্রশ্নের মুখে দাঁড় করান। তাঁর বক্তব্যের সারকথা হলো, ইসলাম মানুষকে দারিদ্র্যকে কোনো আদর্শ হিসেবে গ্রহণ করতে শেখায় না। ইসলাম দান করতে উৎসাহিত করে, কিন্তু একই সঙ্গে মানুষকে এমন অবস্থানে উঠতেও উৎসাহিত করে, যেখান থেকে সে অন্যকে দিতে পারে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন

“উপরের হাত নিচের হাতের চেয়ে উত্তম।”

অর্থাৎ যে হাত দেয়, তার মর্যাদা যে হাত গ্রহণ করে তার চেয়ে উত্তম। বুখারি ও মুসলিমে বর্ণিত এই হাদিসকে আল-সুওয়াইদান অর্থনৈতিক আত্মনির্ভরতার একটি গুরুত্বপূর্ণ নৈতিক ভিত্তি হিসেবে দেখেন।

তাঁর বক্তব্যের একটি শক্তিশালী বাক্য যেন পুরো ধারণাটিকে সংক্ষেপে ধরে ফেলে

“Don’t take. Produce.”

শুধু সাহায্যের অপেক্ষায় থাকা নয়; উৎপাদন করতে হবে। নিজের প্রয়োজন মেটাতে হবে, অন্যের প্রয়োজনও মেটাতে হবে।

আফ্রিকা ও এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে ক্ষুদ্র অর্থায়নের মাধ্যমে ছোট কৃষক কিংবা দরিদ্র নারীদের উদ্যোক্তা হয়ে ওঠার যে উদ্যোগগুলো তিনি উল্লেখ করেন, তার পেছনে এই দর্শনই কাজ করে। অর্থনৈতিক সহায়তার চূড়ান্ত উদ্দেশ্য শুধু একজনকে আজকের প্রয়োজন মেটানোর টাকা দেওয়া নয়; বরং তাকে এমন সক্ষমতা দেওয়া, যাতে আগামীকাল সে নিজেই আয় করতে পারে।

এখানেই দান আর উন্নয়নের মধ্যে একটি গুরুত্বপূর্ণ পার্থক্য তৈরি হয়।

দান মানুষকে একটি মুহূর্তে বাঁচাতে পারে।
কিন্তু উৎপাদনের সক্ষমতা তাকে দীর্ঘদিন দাঁড় করিয়ে রাখতে পারে।

সম্পদ সৃষ্টি যথেষ্ট নয়, তার প্রবাহও চাই

কোনো সমাজে প্রচুর সম্পদ তৈরি হচ্ছে কিন্তু সেই সম্পদের বড় অংশ যদি অল্প কয়েকজনের হাতে জমা হতে থাকে, তাহলে সামগ্রিক সমৃদ্ধির প্রশ্নটি থেকেই যায়।

আল-সুওয়াইদান তাই অর্থনীতির আরেকটি মৌলিক ধারণার দিকে ফিরে যান wealth circulation, সম্পদের প্রবাহ।

ইসলামি অর্থনৈতিক ব্যবস্থায় যাকাত, উত্তরাধিকার এবং বিভিন্ন সামাজিক দায়িত্বের মাধ্যমে সম্পদকে সমাজের বৃহত্তর অংশে প্রবাহিত করার ব্যবস্থা রয়েছে এমনটাই তাঁর যুক্তি। উত্তরাধিকার আইনের নির্ধারিত কাঠামো এবং ওসিয়তের সীমাও সম্পদকে অনির্দিষ্টকাল এক ব্যক্তির হাতে আটকে রাখার বদলে প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার একটি কাঠামো তৈরি করে।

কুরআনে সম্পদের বণ্টন প্রসঙ্গে বলা হয়েছে

كَيْ لَا يَكُونَ دُولَةً بَيْنَ الْأَغْنِيَاءِ مِنكُمْ

“যাতে তা কেবল তোমাদের ধনীদের মধ্যেই আবর্তিত না হয়।”

সূরা আল-হাশর, ৫৯:৭

আয়াতটির নির্দিষ্ট প্রসঙ্গ ফাই সম্পদের বণ্টন; তবে আল-সুওয়াইদান এটিকে সম্পদের বৃহত্তর সামাজিক প্রবাহের একটি নীতির সঙ্গে যুক্ত করেন। তাঁর কাছে অর্থনৈতিক শক্তির অর্থ হলো এমন একটি ব্যবস্থা, যেখানে সম্পদ কেবল জমা হয় না—সমাজের ভেতর চলাচল করে, নতুন উৎপাদন সৃষ্টি করে এবং মানুষের জীবনকে এগিয়ে নেয়।

ইসলামের প্রাথমিক ইতিহাস থেকে তিনি উমর ইবনুল খাত্তাব (রা.)-এর একটি সিদ্ধান্তের উদাহরণও সামনে আনেন। ইরাকের ভূমি বিজয়ের পর সেই জমি বিজয়ীদের মধ্যে ভাগ করে দেওয়ার পরিবর্তে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য রেখে দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেওয়ার ঘটনাকে তিনি দীর্ঘমেয়াদি অর্থনৈতিক চিন্তার উদাহরণ হিসেবে তুলে ধরেন।

এখানে সম্পদ মানে শুধু আজকের লাভ নয়।

সম্পদ মানে আগামী প্রজন্মের অধিকারও।

যে অর্থনীতি অপেক্ষা করে না

এরপর অর্থনৈতিক দর্শনের কেন্দ্রবিন্দু চলে আসে উদ্যোক্তার কাছে।

ইসলামি সভ্যতার মানুষ কেবল ভোক্তা হবে না; সে হবে উৎপাদক। শুধু চাকরি খুঁজবে না; সুযোগ পেলে কর্মসংস্থানও সৃষ্টি করবে। শুধু নিজের প্রয়োজনের জন্য কাজ করবে না; মানুষের প্রয়োজনের সমাধান তৈরি করবে।

আল-সুওয়াইদান এ প্রসঙ্গে উমর (রা.)-এর সঙ্গে সম্পর্কিত একটি ঘটনা উল্লেখ করেন। একজন মানুষকে তিনি সবসময় মসজিদে ইবাদতে দেখতে পেলেন। জিজ্ঞেস করে জানতে পারলেন, তার ভাই তার ভরণপোষণ করেন। তখন উমর (রা.) মন্তব্য করেন—তার ভাই তার চেয়ে উত্তম।

ঘটনাটিকে আল-সুওয়াইদান ইবাদতের অবমূল্যায়ন হিসেবে নয়, বরং উৎপাদনশীল দায়িত্বের গুরুত্ব বোঝাতে ব্যবহার করেন। একজন মানুষের উপার্জন, শ্রম ও অন্যের প্রয়োজন পূরণ করাও সমাজের জন্য গুরুত্বপূর্ণ অবদান।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন, কোনো মানুষ নিজের হাতের উপার্জনের চেয়ে উত্তম খাদ্য কখনো খায়নি। এই নীতির মধ্যেই শ্রমের মর্যাদা নিহিত।

আর ব্যবসা? সেটিও ইসলামের কাছে কেবল অর্থ উপার্জনের পদ্ধতি নয়; সৎ ব্যবসা একটি নৈতিক কাজ।

আল-সুওয়াইদান এমন এক ঐতিহাসিক চিত্র তুলে ধরেন, যেখানে মুসলিম ব্যবসায়ীরা এশিয়ার বিভিন্ন অঞ্চলে বাণিজ্যের সঙ্গে সঙ্গে ইসলামের পরিচয়ও বহন করেছিলেন। তাঁর আলোচনায় এর একটি কারণ হিসেবে উঠে আসে ব্যবসায়িক সততা ও নৈতিক আচরণ।

অর্থাৎ একজন ব্যবসায়ী শুধু পণ্য বহন করে না।

সে তার আচরণও বহন করে।

রাস্তা, পানি, আলো—এসবও সভ্যতার অংশ

একটি সভ্যতা গড়ে ওঠে শুধু বাজার ও ব্যবসা দিয়ে নয়। তার জন্য দরকার রাস্তা, সেতু, পানি সরবরাহ, কৃষি ব্যবস্থা, জ্বালানি এবং যোগাযোগের অবকাঠামো।

আল-সুওয়াইদান তাই অবকাঠামো উন্নয়নকেও ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার অর্থনৈতিক ভিত্তির অন্তর্ভুক্ত করেন।

উমর (রা.)-কে ঘিরে প্রচলিত একটি ঐতিহাসিক উক্তি তিনি উল্লেখ করেন ইরাকের কোনো রাস্তায় একটি খচ্চরও যদি হোঁচট খেয়ে পড়ে, তার জন্যও যেন তাঁকে জিজ্ঞাসা করা হয়, কেন তিনি রাস্তা ঠিক করে দেননি।

উক্তিটির ঐতিহাসিক বর্ণনা নিয়ে বিভিন্ন আলোচনা থাকলেও, আল-সুওয়াইদানের ব্যবহারে এর মূল শিক্ষা স্পষ্ট—জনপথের নিরাপত্তা শাসনের বাইরের কোনো বিষয় নয়; মানুষের কল্যাণের দায়িত্বের অংশ।

রাস্তা থেকে ক্ষতিকর বস্তু সরিয়ে দেওয়াকেও রাসুলুল্লাহ ﷺ সদকা হিসেবে উল্লেখ করেছেন। অর্থাৎ মানুষের চলাচলের পথ নিরাপদ করা নিছক প্রশাসনিক কাজ নয়; এর মধ্যেও নৈতিকতার জায়গা আছে।

এ কারণেই পানি, সেচ, সেতু, রাস্তা কিংবা জ্বালানি এসবকে তিনি সভ্যতার মৌলিক অবকাঠামো হিসেবে দেখেন।

একটি শহরের সভ্যতা তার দালানে যতটা, তার পানির ব্যবস্থাতেও ততটাই।

খাদ্য, পানি ও নিরাপত্তা

অর্থনৈতিক উন্নয়ন তখনই অর্থবহ, যখন মানুষ তার মৌলিক প্রয়োজন নিয়ে নিরাপদ থাকে।

কুরআন মক্কার মানুষের প্রতি আল্লাহর একটি বিশেষ অনুগ্রহ হিসেবে খাদ্য ও নিরাপত্তার কথা পাশাপাশি উল্লেখ করেছে—

فَلْيَعْبُدُوا رَبَّ هَٰذَا الْبَيْتِ ۝ الَّذِي أَطْعَمَهُم مِّن جُوعٍ وَآمَنَهُم مِّنْ خَوْفٍ

“অতএব তারা যেন এই ঘরের রবের ইবাদত করে, যিনি তাদের ক্ষুধা থেকে আহার দিয়েছেন এবং ভয় থেকে নিরাপদ করেছেন।”

সূরা কুরাইশ, ১০৬:৩–৪

আল-সুওয়াইদানের আলোচনায় খাদ্যনিরাপত্তা, বিশুদ্ধ পানি ও জ্বালানি তাই উন্নয়নের বিলাসী কোনো স্তর নয়; এগুলো সভ্যতার মৌলিক নিরাপত্তা।

আল-আন্দালুসের কৃষি, বাগান, সেচব্যবস্থা ও পানি ব্যবস্থাপনার উদাহরণ টেনে তিনি দেখাতে চান—একটি সভ্যতা যখন দীর্ঘমেয়াদি প্রয়োজনের কথা চিন্তা করে, তখন তার স্থাপত্যের নিচে শুধু ইট-পাথর থাকে না; থাকে পানি, কৃষি, শক্তি ও খাদ্যের একটি সুসংগঠিত ব্যবস্থা।

কাজের অধিকার, মর্যাদার অধিকার

এরপর আসে কর্মসংস্থানের প্রশ্ন।

দারিদ্র্য দূর করার সবচেয়ে কার্যকর পথ কী?

শুধু দরিদ্রকে টাকা দেওয়া, নাকি তাকে কাজের সুযোগ করে দেওয়া?

আল-সুওয়াইদানের উত্তর তাঁর পুরো অর্থনৈতিক কাঠামোর সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ মানুষকে উৎপাদনের সঙ্গে যুক্ত করতে হবে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে এক ব্যক্তি সাহায্য চাইলে তাঁকে কেবল অর্থ দিয়ে বিদায় না করে তার কাছে থাকা সামর্থ্য ও উপকরণ সম্পর্কে জানতে চাওয়ার এবং শ্রমের মাধ্যমে উপার্জনের পথে যাওয়ার একটি ঘটনা তিনি তুলে ধরেন। এর মধ্য দিয়ে তিনি বোঝাতে চান, সামাজিক নিরাপত্তা মানুষের মর্যাদাকে ক্ষুণ্ন না করে তাকে স্বনির্ভরতার দিকে নিয়ে যেতে পারে।

অর্থাৎ দরিদ্র মানুষের জন্য শুধু ভাতা নয়

সুযোগও দরকার।

কাজ শুধু পকেটে অর্থ দেয় না; মানুষকে সমাজের সক্রিয় অংশীদার করে।

বাজারে নৈতিকতার প্রয়োজন

কিন্তু উৎপাদন, ব্যবসা ও সম্পদ—সবই ব্যর্থ হয়ে যেতে পারে যদি বাজারে আস্থা না থাকে।

একজন ব্যবসায়ী যদি পণ্যের ভালো অংশ সামনে রেখে খারাপ অংশ লুকিয়ে রাখে, একজন বিক্রেতা যদি পণ্যের প্রকৃত অবস্থা গোপন করে, একজন ক্রেতা যদি প্রতারণার শিকার হয়—তাহলে বাজারের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ সম্পদটি নষ্ট হয়।

সেটি হলো বিশ্বাস।

রাসুলুল্লাহ ﷺ একবার খাদ্যের স্তূপের ভেতরে হাত দিয়ে ভেজা অংশ দেখতে পেয়েছিলেন—বাইরে থেকে যা ভালো দেখাচ্ছিল, ভেতরে তা ছিল ভিন্ন। তখন প্রতারণার বিরুদ্ধে তিনি কঠোর সতর্কতা উচ্চারণ করেন—

“যে প্রতারণা করে, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।”

সহিহ মুসলিম

এই ঘটনাকে আল-সুওয়াইদান শুধু একটি বাজারের ঘটনা হিসেবে দেখেন না। তাঁর আলোচনায় এটি একটি পূর্ণাঙ্গ বাজার-নীতির দিকে ইঙ্গিত করে—সঠিক তথ্য, স্বচ্ছ লেনদেন, পণ্যের মান এবং ক্রেতার অধিকার।

ইসলামি সভ্যতার ঐতিহাসিক শহরগুলোতে হিসবাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে বাজার তদারকির যে ঐতিহ্য গড়ে উঠেছিল, সেটিও তিনি এই ধারার সঙ্গে যুক্ত করেন। উমর (রা.)-এর সময়ে আশ-শিফা বিনতে আবদুল্লাহর বাজার তদারকির দায়িত্ব পালনের বর্ণনাকে তিনি আধুনিক ভাষায় একজন ‘বাণিজ্য তদারক কর্মকর্তা’র সঙ্গে তুলনা করেন।

এখানে মূল বিষয় পদটির আধুনিক নাম নয়; মূল বিষয় হলো—বাজারকে সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণহীন ছেড়ে দেওয়া হয়নি।

অর্থেরও একটি নৈতিক মানদণ্ড আছে

একটি ইসলামি অর্থনীতি যদি বিশ্বপরিসরে কার্যকর হতে চায়, তাহলে শুধু ধর্মীয় পরিচয় যথেষ্ট নয়। দরকার নির্ভরযোগ্য নিয়ম, মানদণ্ড এবং স্বচ্ছতা।

আল-সুওয়াইদান ইসলামি অর্থব্যবস্থার জন্য এমন মানদণ্ডের প্রয়োজনীয়তার কথা বলেন, যাতে বিভিন্ন দেশ ও প্রতিষ্ঠানে আর্থিক লেনদেনের নৈতিক ও শরিয়াহভিত্তিক কাঠামো নিয়ে একটি গ্রহণযোগ্য সামঞ্জস্য তৈরি হয়।

কুরআনের একটি নির্দেশ তিনি এখানে সামনে আনেন—

وَأَقِيمُوا الْوَزْنَ بِالْقِسْطِ وَلَا تُخْسِرُوا الْمِيزَانَ

“ন্যায়ের সঙ্গে ওজন প্রতিষ্ঠা করো এবং মাপে কম দিও না।”

সূরা আর-রহমান, ৫৫:৯

আয়াতটির সরাসরি প্রসঙ্গ মাপ ও ভারসাম্য; আল-সুওয়াইদান এটিকে বৃহত্তর অর্থে ন্যায্য ও ভারসাম্যপূর্ণ ব্যবস্থার প্রয়োজনীয়তার সঙ্গে যুক্ত করেন।

এই জায়গায় ইসলামি অর্থনীতি শুধু ‘সুদ আছে কি নেই’—এই একটি প্রশ্নে সীমাবদ্ধ থাকে না। প্রশ্ন হয় লেনদেন কতটা স্বচ্ছ? ঝুঁকি কীভাবে ভাগ হচ্ছে? ভোক্তার অধিকার কোথায়? ব্যবসা কি বাস্তব মূল্য সৃষ্টি করছে? বাজারে প্রতারণা ও অতিরিক্ত অনিশ্চয়তা কীভাবে মোকাবিলা করা হচ্ছে?

অর্থাৎ অর্থনীতিরও একটি আদব আছে।

ব্যবসা শুধু নিজের জন্য নয়

আল-সুওয়াইদানের অর্থনৈতিক দর্শনে আরেকটি বিষয় বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ সামাজিক অর্থনীতি।

ব্যবসা লাভ করবে, উদ্যোক্তা লাভ করবে—এটি স্বাভাবিক। কিন্তু ব্যবসার অস্তিত্ব যেন সমাজের সমস্যাগুলোকে উপেক্ষা করে শুধু ব্যক্তিগত সম্পদ সঞ্চয়ের যন্ত্রে পরিণত না হয়।

তিনি ওয়াকফের কথা সামনে আনেন। একটি স্কুল, একটি হাসপাতাল, দরিদ্র মানুষের জন্য খাবার, শিক্ষার্থীদের সহায়তা—এসবকে ওয়াকফের মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিষ্ঠানে পরিণত করা যায়।

এখানে রাষ্ট্র সবকিছু করবে—এমন ধারণা নেই। আবার সমাজের দায়িত্বও রাষ্ট্রের ওপর সম্পূর্ণ ছেড়ে দেওয়া হচ্ছে না।

বরং একটি সভ্যতার অর্থনৈতিক শক্তি তৈরি হয় যখন ব্যক্তি, ব্যবসা, সমাজ ও রাষ্ট্র—প্রত্যেকে নিজের দায়িত্বের জায়গায় দাঁড়ায়।

উন্নয়ন হবে, কিন্তু পৃথিবী ধ্বংস করে নয়

সভ্যতার একটি বড় পরীক্ষা হলো—সে তার ভবিষ্যৎকে কতটা মূল্য দেয়।

আজকের উন্নয়নের জন্য যদি আগামী প্রজন্মের পানি নষ্ট হয়, মাটি নষ্ট হয়, বন ধ্বংস হয়, পরিবেশ বসবাসের অনুপযোগী হয়ে পড়ে—তাহলে সেই উন্নয়ন কতটা স্থায়ী?

আল-সুওয়াইদান তাই টেকসই উন্নয়নের ওপর জোর দেন।

কুরআনে এসেছে

وَلَا تَعْثَوْا فِي الْأَرْضِ مُفْسِدِينَ

“পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি করে বেড়িও না।”

সূরা আল-বাকারা, ২:৬০

আয়াতটির মূল প্রসঙ্গ মূসা (আ.)-এর জাতির জন্য পানি প্রাপ্তির ঘটনার সঙ্গে সম্পর্কিত; তবে ‘পৃথিবীতে বিপর্যয় সৃষ্টি না করা’র বৃহত্তর নীতিকে আল-সুওয়াইদান পরিবেশ ও উন্নয়নের আলোচনাতেও প্রয়োগ করেন।

ইসলামি স্থাপত্যের ঐতিহ্যে প্রাকৃতিক বায়ু চলাচল, ছায়া, পানি সংরক্ষণ ও স্থানীয় পরিবেশের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নির্মাণের নানা উদাহরণ রয়েছে। তাঁর আলোচনায় এগুলো অতীতের স্থাপত্যের স্মৃতি মাত্র নয়; ভবিষ্যতের উন্নয়নের জন্যও শিক্ষার উৎস।

সভ্যতা মানে প্রকৃতিকে জয় করা নয়।

প্রকৃতির সঙ্গে সহাবস্থান করেও উন্নত হওয়া যায়—এই ধারণাটিই এখানে গুরুত্বপূর্ণ।

ভ্রমণও অর্থনীতির অংশ

একটি সভ্যতা নিজেকে চার দেয়ালের মধ্যে আটকে রাখে না।

কুরআন মানুষকে বারবার পৃথিবীতে ভ্রমণ করতে, অতীত জাতিগুলোর পরিণতি দেখতে এবং পৃথিবীকে পর্যবেক্ষণ করতে আহ্বান জানায়। আল-সুওয়াইদান এই ভ্রমণকে আধুনিক পর্যটনের সঙ্গে যুক্ত করেন—তবে এমন পর্যটন, যেখানে স্থানীয় সংস্কৃতি, নৈতিকতা ও পরিবেশের প্রতি সম্মান থাকে।

হজ ও উমরাহর ঐতিহাসিক কাঠামোতেও ভ্রমণ, বাণিজ্য ও মানুষের পারস্পরিক যোগাযোগের একটি বড় অর্থনৈতিক মাত্রা ছিল। কুরআন হজের সময়ে আল্লাহর অনুগ্রহ থেকে রিজিক অনুসন্ধানের কথাও উল্লেখ করেছে

لَيْسَ عَلَيْكُمْ جُنَاحٌ أَن تَبْتَغُوا فَضْلًا مِّن رَّبِّكُمْ

“তোমাদের ওপর কোনো অপরাধ নেই যে, তোমরা তোমাদের রবের অনুগ্রহ অনুসন্ধান করবে।”

সূরা আল-বাকারা, ২:১৯৮

অর্থাৎ আধ্যাত্মিকতা ও অর্থনৈতিক জীবনকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্ন দুটি জগত হিসেবে দেখা হয়নি।

যে নিরাপত্তা রাজনীতির ওপর নির্ভর করে না

সবশেষে আল-সুওয়াইদান যে বিষয়টির দিকে ফিরে আসেন, তা হলো ওয়াকফভিত্তিক সামাজিক নিরাপত্তা।

একটি রাষ্ট্র দুর্বল হতে পারে। সরকার বদলাতে পারে। রাজনৈতিক সংঘাত হতে পারে। কিন্তু মানুষের খাবার, চিকিৎসা, শিক্ষা ও সামাজিক সহায়তার প্রয়োজন থেমে থাকে না।

এই জায়গায় ওয়াকফ একটি দীর্ঘমেয়াদি সামাজিক প্রতিষ্ঠান হিসেবে কাজ করতে পারে।

ইসলামি ইতিহাসে ওয়াকফের মাধ্যমে হাসপাতাল, মাদরাসা, মসজিদ, পানির ব্যবস্থা, খাবার বিতরণসহ নানা জনকল্যাণমূলক কাজ পরিচালিত হয়েছে। আল-সুওয়াইদান বিশেষভাবে দেখাতে চান—একটি সমাজ যদি তার সম্পদের একটি অংশকে স্থায়ী জনকল্যাণের জন্য উৎসর্গ করে, তাহলে রাজনৈতিক অস্থিরতার মধ্যেও মানুষের জন্য কিছু প্রতিষ্ঠান টিকে থাকতে পারে।

রাসুলুল্লাহ ﷺ বলেছেন—

“যে ব্যক্তি বিধবা ও দরিদ্রের দেখাশোনা করে, সে আল্লাহর পথে সংগ্রামকারীর মতো।”

সহিহ বুখারি ও সহিহ মুসলিম

এখানেই অর্থনীতির সঙ্গে নৈতিকতার শেষ সংযোগটি তৈরি হয়।

সম্পদ কেবল ব্যক্তির হাতে জমা থাকার জন্য নয়।
সম্পদ দিয়ে প্রতিষ্ঠান তৈরি করা যায়।
প্রতিষ্ঠান দিয়ে মানুষকে দাঁড় করানো যায়।
আর মানুষ দাঁড়ালে—একটি সভ্যতা দাঁড়ায়।

সমৃদ্ধিরও একটি দায়িত্ব আছে

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার অর্থনৈতিক কল্পনা তাই শুধু বড় বড় বাজার, আধুনিক ব্যাংক, উঁচু ভবন কিংবা বিপুল জাতীয় সম্পদের গল্প নয়।

এটি এমন এক অর্থনৈতিক কাঠামোর কথা বলে যেখানে মানুষ উৎপাদক, সম্পদ প্রবাহমান, ব্যবসা নৈতিক, বাজার তদারকযোগ্য, অবকাঠামো জনকল্যাণমুখী, উন্নয়ন টেকসই, আর সামাজিক নিরাপত্তা প্রাতিষ্ঠানিক।

এই ব্যবস্থায় ধনী হওয়া অপরাধ নয়; কিন্তু সম্পদকে সমাজের প্রতি দায়িত্বহীনভাবে আটকে রাখাও আদর্শ নয়।

ব্যবসা করা নিষিদ্ধ নয়; কিন্তু প্রতারণা গ্রহণযোগ্য নয়।

লাভ করা বৈধ; কিন্তু মানুষের প্রয়োজনকে সম্পূর্ণ অগ্রাহ্য করে লাভই যদি একমাত্র উদ্দেশ্য হয়, তাহলে অর্থনীতি তার সামাজিক চরিত্র হারায়।

উন্নয়ন প্রয়োজন; কিন্তু এমন উন্নয়ন নয়, যার বিল মেটাতে হবে ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে।

একটি সভ্যতার অর্থনৈতিক শক্তি শেষ পর্যন্ত তার সম্পদের পরিমাণে নয় সম্পদকে সে কী কাজে ব্যবহার করে, তার মধ্যেই তার চরিত্র প্রকাশ পায়।

হয়তো এ কারণেই এই পুরো আলোচনার কেন্দ্রীয় প্রশ্নটি ‘কীভাবে ধনী হব?’ নয়।

বরং

কীভাবে এমন সমৃদ্ধি তৈরি করা যায়, যা মানুষকে দাঁড় করায়, সমাজকে শক্তিশালী করে এবং ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্যও কিছু রেখে যায়?

অর্থনীতি তখন আর শুধু অর্থনীতির বিষয় থাকে না।

তা হয়ে ওঠে সভ্যতা নির্মাণের এক দীর্ঘ আমানত।

আর সেই আমানতকে ধারণ করার পরের প্রশ্নটি আরও বড়—যে সমাজ অর্থনৈতিকভাবে শক্তিশালী, তাকে কীভাবে পরিচালনা করা হবে? তার রাষ্ট্র, প্রশাসন ও রাজনৈতিক কাঠামো কেমন হবে?

ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনার পরবর্তী অধ্যায় সেই প্রশ্নের দিকেই এগিয়ে যাবে।

এই টপিকের অন্যান্য প্রবন্ধ

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১২

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১২

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১১

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১১

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১০

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ১০

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৮

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৮

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৭

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৭

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৬

ড. তারেক আল-সুওয়াইদানের ভবিষ্যৎ ইসলামি সভ্যতার ভাবনা | পর্ব ০৬

© ২০২১ মিম্বার
প্রচার করো, যদি একটিমাত্র আয়াতও হয়

No Result
View All Result
  • মূল পাতা
  • বিষয়শ্রেণী
    • বেসিক ইসলাম
      • আক্বিদা
      • নামাজ
      • রোজা
      • হজ্জ
      • যাকাত
      • পর্দা
      • জিহাদ
      • আখিরাত
      • সুন্নাত
    • বেসিক ইলম
      • উলুমুল কোরআন
      • উলুমুল হাদিস
      • সিরাতে রাসুল
      • ইসলামি শরীয়াহ
      • ইসলামি শিক্ষাব্যবস্থা
      • তাযকিয়াতুন নাফস
      • ইসলাম ও অর্থনীতি
      • ইসলাম ও রাজনীতি
      • ইসলাম ও সমাজনীতি
    • জীবনী
      • নবীদের জীবনী
      • সাহাবায়ে কেরামের জীবনী
      • ইসলামি মনীষীদের জীবনী
      • কবি-সাহিত্যিকদের জীবনী
    • সমস্যা, সম্ভাবনা ও প্রতিকার
      • যুব সমস্যা
      • প্যারেন্টিং
      • সময় ব্যবস্থাপনা
      • সাংস্কৃতিক আগ্রাসন
      • ধর্ষণ
      • সুদ
      • সংশয় নিরসন
      • মাদকাসক্তি
      • পর্নোগ্রাফি
      • সমসাময়িক
    • ইতিহাস-ঐতিহ্য
      • বাংলার ইতিহাস
      • উপমহাদেশের ইতিহাস
      • ইসলামের ইতিহাস
      • বিশ্বসভ্যতার ইতিহাস
    • ইসলাম ও মতবাদ
      • গণতন্ত্র
      • সমাজতন্ত্র
      • রাজতন্ত্র
      • পুঁজিবাদ
      • উদারতাবাদ
      • নারীবাদ
      • মুসলিম দর্শন
      • অন্যান্য মতবাদ
    • সাহিত্য-সাময়িকী
      • গল্প
      • কবিতা
      • প্রবন্ধ
      • রম্যগল্প
      • সাহিত্য সমালোচনা
      • বুক রিভিউ
      • ফিচার
    • বিজ্ঞান
      • ডক্টর’স চেম্বার
      • মুসলিম বিজ্ঞান
      • করোনা
      • সায়েন্স ফিকশন
    • সংস্কৃতি ও ঐতিহ্য
      • ঈদুল ফিতর
      • ঈদুল আজহা
      • হিজরি নববর্ষ
      • কারবালা
      • মহররম
      • হামদ
      • নাতে রাসুল
      • ইসলামী গান
    • অন্যান্য
      • বাংলাদেশ
      • শিশুতোষ
      • মাসয়ালা-মাসায়েল
      • প্রত্যাবর্তন
      • উম্মাহর সংকট ও সমাধান
      • ভ্রমণকাহিনী
  • নোটিশ
  • ম্যাগাজিন
  • যোগাযোগ

© 2020 মিম্বার